নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

আজ রাতেই বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল

জুলাই ১৯, ২০২৬ ২:৪৮ 👁️ ৮৬ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আজ মধ্যরাতে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। শিরোপা নির্ধারণের এই ম্যাচ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। এরই মধ্যে তথ্য পরিসংখ্যান সুপারকম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য বিজয়ীর পূর্বাভাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। তাদের বিশ্লেষণে স্পেনকে এগিয়ে রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ার সামর্থ্যের কারণে আর্জেন্টিনাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটএসআই স্পোর্ট গবেষণা দলের পরিচালক ব্রেনান ক্লেইনের মতে, দলগত সমন্বয়, কৌশলগত দক্ষতা ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের বিচারে স্পেনই ফাইনালের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। তিনি আরও বলেন, ‘দলগত খেলা ও কৌশলগত দক্ষতার বিচারে স্পেনের এই ম্যাচ না জেতার কোনো কারণ আমি দেখি না।’ তবে আর্জেন্টিনার লড়াকু মানসিকতাকেও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকেরা। টুর্নামেন্টে একাধিকবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। আর সেই প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
f সোনার দেশ ফলো করুন

গবেষণায় দেখা গেছে, এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার করা ১৯ গোলের মধ্যে ১২টিই এসেছে ম্যাচের ৭৫ মিনিটের পর। অর্থাৎ ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, দলটির আক্রমণ ততই ধারালো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ক্লেইন বলেন, ‘শেষ ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে যেন একধরনের রহস্যময় অনিবার্যতা কাজ করে।’

গবেষকেরা ফাইনালের আগে দুই দলের পুরো টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেছেন। তাদের মতে, স্পেনের সাফল্যের অন্যতম কারণ তাদের খেলার ধরনে আসা পরিবর্তন। ছোট ছোট ও দ্রুত পাসনির্ভর ঐতিহ্যবাহী ‘তিকি তাকা’ কৌশল এখন আরও আক্রমণাত্মক রূপ নিয়েছে। মাঝমাঠে বলের দখল ধরে রাখার পাশাপাশি দলটি এখন বেশি ব্যবহার করছে দীর্ঘ উল্লম্ব পাস, যা দ্রুত প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে পৌঁছে গোলের সুযোগ তৈরি করছে। ক্লেইন বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোয় স্পেনের খেলার ধরন বদলেছে। প্রগ্রেসিভ পাসের সংখ্যা বেড়েছে, যা দ্রুত আক্রমণ গড়ে তুলতে এবং গোলের সুযোগ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’ এই পরিবর্তনের প্রতিফলনও দেখা যাচ্ছে পরিসংখ্যানে।

টুর্নামেন্টে প্রতি ম্যাচে গড়ে ৭০টি প্রগ্রেসিভ পাস দিয়ে এ ক্ষেত্রে সবার ওপরে রয়েছে স্পেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসা মেসি। ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়দের একজন হলেও গবেষকদের তথ্য বলছে, ২০২২ সালের তুলনায় এবার তাঁর পারফরম্যান্স আরও উন্নত হয়েছে। প্রতি ৯০ মিনিটে তাঁর প্রত্যাশিত গোলের হার (এক্সজি) শূন্য দশমিক ২৬ থেকে বেড়ে শূন্য দশমিক ৫২-এ পৌঁছেছে।

আরও পড়ুনঃ  মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

তবে মেসির খেলার ধরনে একটি ব্যতিক্রমী দিকও উঠে এসেছে গবেষণায়। টুর্নামেন্টের সেরা আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশি সময় হাঁটার গতিতে চলাফেরা করেন। তাঁর মোট চলাচলের ৬৪ শতাংশই হাঁটার গতিতে। তুলনায় আর্লিং হলান্ড ও কিলিয়ান এমবাপ্পে প্রায় ৪৫ শতাংশ সময় একই গতিতে ছিলেন।

ক্লেইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘মেসি জানেন কখন শক্তি সঞ্চয় করতে হয়, আর কখন গতি বাড়াতে হয়। এ কারণেই ম্যাচের শেষ ভাগেও তিনি ড্রিবলিং দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।’

উদাহরণ হিসেবে তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মেসির পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন। ওই ম্যাচে মেসি সফলভাবে ৯টি ড্রিবল করেন। পাশাপাশি ৮৪তম মিনিটে তাঁর বাড়ানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রস থেকেই আসে আর্জেন্টিনার গোল। তবে শুধু পরিসংখ্যান নয়, মেসির ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার সামর্থ্যকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ অ্যাশলি ফিলিপস বলেন, ‘মেসি যদি নিজের নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে দেন, তাতে আমি মোটেও অবাক হব না।’

এর আগে বিশ্বকাপ শুরুর আগে যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরাও এক হাজারবার কম্পিউটার সিমুলেশন চালিয়ে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। সেই বিশ্লেষণেও স্পেনকে সবচেয়ে সম্ভাব্য শিরোপাজয়ী দল হিসেবে দেখানো হয়। তাঁদের হিসাবে, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা ২৬ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ১২ দশমিক ৪ শতাংশ।

সংখ্যায় সংখ্যায় বিশ্বকাপের ফাইনাল

৪৮ দলের ঐতিহাসিক এক টুর্নামেন্ট শেষ হচ্ছে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল দিয়ে। বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের ফাইনালের আগে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আগের ২২ ফাইনালের কিছু পরিসংখ্যান।

২ : লুইস মন্টি একমাত্র ফুটবলার যিনি দুটি ভিন্ন দেশের হয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। এই মিডফিল্ডার ১৯৩০ সালে তার জন্মভূমি আর্জেন্টিনার হয়ে উরুগুয়ের বিপক্ষে এবং ১৯৩৪ সালে ইতালির হয়ে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ফাইনাল খেলেন। ১৯৩৪ সালের সেই ম্যাচে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দুই দলেরই অধিনায়ক ছিলেন দুই গোলরক্ষক-জিয়াম্পিয়েরো কম্বি এবং ফ্রান্টিসেক প্ল্যানিকা। এমন ঘটনা পরের আসরগুলোয় আর কখনোই ঘটেনি।

২ : বিশ্বকাপের ইতিহাসে শুধু পাঁচজন ফুটবলার দুটি ভিন্ন ফাইনালে গোল করতে পেরেছেন। তারা হলেন ভাভা (১৯৫৮ ও ১৯৬২), পেলে (১৯৫৮ ও ১৯৭০), পল ব্রেইটনার (১৯৭৪ ও ১৯৮২), জিনেদিন জিদান (১৯৯৮ ও ২০০৬) এবং কিলিয়ান এমবাপ্পে (২০১৮ ও ২০২২)।

৩ : এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের কাফু একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলেছেন। এই তারকা ডিফেন্ডার ১৯৯৪ সালে ইতালির বিপক্ষে প্রথমার্ধে আহত জর্জিনহোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন, ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে খেলেন এবং ২০০২ সালে জার্মানির বিপক্ষে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জেতেন। পেলে রেকর্ড তিনটি বিশ্বকাপ জিতলেও চোটের কারণে ১৯৬২ সালের ফাইনাল ম্যাচে খেলতে পারেননি। ২০১৪ সালে জার্মানি এবং ২০২২ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনাল খেলা লিওনেল মেসি এবার স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামলে কাফুর এই রেকর্ডে ভাগ বসাবেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪ : কিলিয়ান এমবাপ্পে বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ ৪টি গোল করার অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। অন্যদিকে জিওফ হার্স্ট, ভাভা, পেলে এবং জিনেদিন জিদান প্রত্যেকে ৩টি করে গোল করেছেন। এমবাপ্পে ২০১৮ সালে একটি এবং ২০২২ সালে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। লুসাইল স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের হয়ে ১১৮তম মিনিটে করা তার শেষ গোলটি বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে দেরিতে হওয়া গোল।

৫ : ১৯৫৮ সালের ফাইনালে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে এমন পাঁচজন খেলোয়াড় ছিলেন, যারা অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে খেলেননি। বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের প্রথম এবং শেষ ম্যাচের একাদশের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন দলে সুযোগ পাওয়া সেই পাঁচজন ছিলেন— ডিজালমা সান্তোস, ইতো, গারিঞ্চা, পেলে এবং ভাভা। সেই ফাইনালে ৩৫ বছর বয়সী নিলস লিডহোম বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতা এবং ১৭ বছর বয়সে পেলে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হন। সুইডেনের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৫-২ গোলের জয়টি আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের ফাইনাল ম্যাচ।

৭ : বিশ্বকাপের ফাইনালে এ পর্যন্ত ৭টি দল পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জিতেছে। এর মধ্যে প্রথম সাতটি বিশ্বকাপের মধ্যেই ছয়টি এমন ঘটনা ঘটেছিল— ১৯৩০ সালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে উরুগুয়ে, ১৯৩৪ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ইতালি, ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে পশ্চিম জার্মানি, ১৯৫৮ সালে সুইডেনের বিপক্ষে ব্রাজিল, ১৯৬২ সালে চেকোস্লোভাকিয়া এবং ১৯৬৬ সালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ইংল্যান্ড। এ ছাড়া ১৯৫০ সালেও উরুগুয়ে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল, যদিও সেটি অফিসিয়াল ফাইনাল ম্যাচ ছিল না। ফাইনালে গোল খেয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জেতার সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছিল ৫২ বছর আগে, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পশ্চিম জার্মানির ম্যাচে। ২০০৬ সালে ইতালি পিছিয়ে পড়ে নির্ধারিত সময়ে জিততে না পারলেও পেনাল্টি শুটআউটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি: বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে আরএমপির মতবিনিময় সভা

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।

ফাইনাল মাতাবেন ম্যাডোনা-ক্রুজরা : ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে শুধু স্পেন ও আর্জেন্টিনার লড়াই নয়, দর্শকদের জন্য থাকছে তারকাখচিত এক সমাপনী অনুষ্ঠানও। ফিফার ভাষায়, এটি হবে ‘সর্বকালের সবচেয়ে বড় মঞ্চ’। সুপার বোলের হাফটাইম শো থেকে অনুপ্রাণিত এ আয়োজনে অংশ নেবেন হলিউড ও সংগীত জগতের একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকা।

স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে হলিউড তারকা টম ক্রুজের। এ ছাড়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘ডিজায়ার’-এর শিল্পী রবি উইলিয়ামস, লরা পাওসিনি ও নিকোল শেরজিঙ্গারও পারফর্ম করবেন। অনুষ্ঠানে থাকবেন জনপ্রিয় স্ট্রিমার আইশোস্পিড, র‌্যাপার পোস্ট ম্যালোন এবং অস্কারজয়ী গায়িকা-অভিনেত্রী জেনিফার হাডসন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন। ফাইনাল দেখতে উপস্থিত থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ থাকছে বিরতির ১১ মিনিটের হাফটাইম শোকে ঘিরে। কোল্ডপ্লের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই পরিবেশনায় অংশ নেবেন ম্যাডোনা, জাস্টিন বিবার, দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস এবং শাকিরা।

বিশ্বকাপ জুড়ে বাজানো শাকিরা ও আফ্রোবিট তারকা বার্না বয়ের যৌথ গান ‘দাই দাই’ ও আবার শোনা যাবে স্টেডিয়ামে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার বিখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, নিউ ইয়র্কের একটি কোরাস দল এবং কোল্ডপ্লের অনুষ্ঠানে অংশ নেবে। ফিফা ও গ্লোবাল সিটিজেনের শিক্ষা তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যেও এ আয়োজন করা হচ্ছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।