নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

পাচার-চোরাচালান রোধে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই ১৫, ২০২৬ ৭:৩০ 👁️ ৭০ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তির অপব্যবহার করে পরিচালিত মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বিষয়ক জাতীয় অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের পরিবর্তনশীল কৌশলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। নতুন আইন মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি বলেন, নতুন আইনে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ সম্প্রসারণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসারে ভুক্তভোগীদের শাস্তি না দেওয়ার বিষয়টিও আইনটিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান আন্তঃদেশীয় সংঘবদ্ধ অপরাধের অন্যতম গুরুতর রূপ। এসব অপরাধ দমনে কার্যকর আইন প্রয়োগ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম নতুন আইনের প্রেক্ষাপট, প্রয়োজনীয়তা ও প্রধান বিধান তুলে ধরেন। পরে আইনটির কার্যকর বাস্তবায়ন, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং তদন্ত থেকে বিচার পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), বিচার বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘের সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। #

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।