নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ রবিবার। দুপুর ১:০৪। ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬।

ব্যালট বাক্স নষ্ট বা হারালে ভোট বন্ধ, নতুন তারিখে হবে পুনঃভোট : ইসি

জানুয়ারি ৯, ২০২৬ ৫:১৯
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণের সময় ব্যালট বাক্স নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা জোর করে অপসারণের মতো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে তাৎক্ষণিকভাবে ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনঃভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের দিন ও সময় উল্লেখ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন এবং তা স্থানীয়ভাবে প্রচারের ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৭

আর ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হলে তিনি ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করবেন। একইভাবে ব্যালট বাক্স জোরপূর্বক অপসারণ, নষ্ট বা হারিয়ে গেলে কিংবা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে ফল নির্ধারণ সম্ভব নয়—সেক্ষেত্রেও ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হবে। বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। রিটার্নিং অফিসার কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন তারিখে পুনঃভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নেবেন।

একইসঙ্গে যে ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ হবে, সেই কেন্দ্রের ফলাফল ছাড়া নির্বাচনি এলাকার ফল নির্ধারণ সম্ভব না হলে কমিশন পুনঃভোটগ্রহণের নির্দেশ দেবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের সব ভোটার নতুন দিনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুনঃ  পবিত্র শবে মেরাজ আজ

এছাড়া বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, চাপ সৃষ্টি বা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব না হলে কমিশন যেকোনো পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ সম্পূর্ণ নির্বাচনি কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে।

পরিপত্রে ডাকযোগে ভোটদানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রবাসী ও নির্দিষ্ট শ্রেণির ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট (ওসিভি ও আইসিপিভি) ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য কমিশনের নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনসহ নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সম্বলিত পরিবেশবান্ধব ব্যানার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা সম্বলিত ফেস্টুন দৃশ্যমান স্থানে টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অননুমোদিত কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে।

আরও পড়ুনঃ  থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন পড়ে কমপক্ষে ২২ জন নিহত

পরিপত্রে গণভোট উপলক্ষ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জাতীয় সংসদ ও গণভোটের ভোটগণনার বিবরণীর একটি কপি ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিশেষ খাম সরবরাহ করা হবে এবং খাম দ্রুত পৌঁছাতে পোস্ট অফিসগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।