নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

রাজধানীতে পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের

জুন ৩০, ২০২৬ ১:১০ 👁️ ৪৭ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে পার্বত্য অঞ্চলের সুস্বাদু ও কেমিক্যালমুক্ত উৎপাদিত ফলের বিপণন, প্রদর্শন, বাজারজাতকরণ এবং সংরক্ষণে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ফল সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে তিন পার্বত্য জেলার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার গড়ে তোলা হবে।

গতকাল রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের অডিটোরয়ামে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘পাহাড়ি ফল মেলা ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, পাহাড়ি ফল মেলা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক। এবারের মেলায় তিন পার্বত্য জেলার উদ্যোক্তাদের মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা গেছে, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তিনি বলেন, মেলা পরিচালনায় এবার যেসব ছোটখাটো সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে, আগামীতে তা সংশোধন করে আরো পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে মেলার আয়োজন করা হবে। একই সাথে মেলা প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের নান্দনিক ও ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে অ্যালকোহল ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার রিজাউল করিম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল।

আরও পড়ুনঃ  রুয়েটের ৭১ গবেষকের গবেষণা সম্পন্ন

অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের পক্ষে রাঙামাটির ‘জুম ঘর’-এর স্বত্ত্বাধিকারী বিনীতা চাকমা, বান্দরবানের চংরেং ম্রো এবং খাগড়াছড়ির কংকনা চাকমা মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ফল বিক্রির চমৎকার সুযোগ নিয়ে নিজেদের সন্তোষজনক অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। বক্তব্য শেষে মেলায় অংশ নেয়া সেরা উদ্যোক্তাদের মাঝে বিশেষ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে গত ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮ ঘটিকা পর্যন্ত মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ছিল। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে আগত উদ্যোক্তারা গত তিন দিন মোট ৩০টি স্টলে পাহাড়ের সুস্বাদু ও কেমিক্যালমুক্ত মৌসুমী ফল আম, আনারস, কাঁঠাল, কলার পাশাপাশি দুর্লভ বুনো রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনোবেলের মতো বাহারি ফলের পসরা সাজিয়ে বসেন। আয়োজক কমিটির মতে, আগত দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে পাহাড়ি ফল কেনাকাটার ধূমে এবারের পাহাড়ি ফল মেলা সাফল্য অর্জন করেছে।
#

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।