নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

জুন ২৪, ২০২৬ ৩:২৭ 👁️ ৩৭ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নৃ-গোষ্ঠী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে সরকার। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  জাতিসংঘে বাংলাদেশ : রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোর

মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি উল্লেখ করেন, একটি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিকে সংখ্যালঘু ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। সরকারের দায়িত্ব হলো সব ধর্মাবলম্বী নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুনঃ  রুয়েট পরিদর্শনে অ্যাক্রিডিটেশন ইভ্যালুয়েশন টিম

বৈঠকে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুণ্যতীর্থ চন্দ্রনাথ ধামে আগত ভক্তদের নানা সমস্যার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে জানান, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ চন্দ্রনাথ ধামে পূজা-অর্চনা ও তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্যে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও যোগাযোগ সুবিধার অভাবে তাদের নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

মন্ত্রী এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি চন্দ্রনাথ ধামের সিঁড়ি নির্মাণ ও সংস্কার, মন্দিরের উন্নয়ন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

আরও পড়ুনঃ  সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের উন্নয়ন কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, পর্যটন, স্থানীয় অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এসব স্থানের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান এবং মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাইসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
#

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।