নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

শিরোনাম

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও মানবপ্রেমই প্রকৃত ধর্মচর্চার শিক্ষা : তথ্যমন্ত্রী

সরকার জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা

সরকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেছে : ভূমিমন্ত্রী

সন্তানদের হাতে প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন না দিয়ে বই পড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার

অপরাধ দমনে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান আরএমপি কমিশনারের

সন্তানদের হাতে প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন না দিয়ে বই পড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার

জুলাই ২৪, ২০২৬ ৭:৪০ 👁️ ৪৮ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মেধাবী, সৃজনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশু-কিশোরদের অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা কমাতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশু-কিশোরদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। আমাদের দেশেও অভিভাবকদের সন্তানদের হাতে প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন না দিয়ে বই পড়া, খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্পের আওতায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালতে ১৩ ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

বজলুর রশীদ বলেন, করোনা মহামারির সময় শিক্ষার প্রয়োজনে শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার তাদের মনোযোগ, পাঠাভ্যাস, চিন্তাশক্তি ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই পরিবার থেকেই এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে এবং কীভাবে সময় ব্যয় করছে এসব বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। সন্ধ্যার পর অপ্রয়োজনীয় আড্ডার পরিবর্তে তাদের পাঠাগার, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পাঠাভ্যাসভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  রুয়েট ও খাজা ইউনুস আলী ইউনিভার্সিটির এমটিই বিভাগের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, অন্তত ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে; তবে সারাক্ষণ ব্যক্তিগত স্মার্টফোন ব্যবহার পরিহার করা উচিত।
এ সময় বিভাগীয় কমিশনার রাজশাহীকে একটি জ্ঞান, সংস্কৃতি ও পাঠ চর্চা নির্ভর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গণগ্রন্থাগারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত পাঠ, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ জন্য তিনি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্কৃতিকর্মী, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. সঞ্জীব সূত্রধর। অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

আরও পড়ুনঃ  মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী

এর আগে রাজশাহী সরকারি গণগ্রন্থাগার চত্বরে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে একই স্থান হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণগ্রন্থাগার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এর পর অতিথিবৃন্দ ভ্রাম্যমান বইমেলা পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠান শেষে একই স্থানে সংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।