নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ মঙ্গলবার। রাত ৩:২৫। ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করা হবে না : মিলন

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ ৪:১৮
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে “কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করা হবে না” বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন।

বুধবার পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মিলন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ নিয়ে “মিথ্যাচার” করছেন। তিনি আরও বলেন, যাকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে তিনি এখনো জীবিত এবং তিনি হলেন এনডিপির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ। মিলনের দাবি, অলি আহমেদ একাধিকবার জিয়াউর রহমানকেই স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  যমুনা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

তিনি বলেন, “যারা বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড চাইনি, তারাই এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছে।” জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী ভূমিকার অভিযোগও তোলেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমানের বিভিন্ন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন মিলন।

তিনি আরও বলেন, উস্কানিমূলক বক্তব্য সত্ত্বেও বিএনপি “কোনো ফাঁদে পা দেবে না” এবং নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার গঠন করতে চায়।

ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থনের দাবি

মিলন দাবি করেন, সারা দেশের মতো পবা-মোহনপুরেও ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন বাড়ছে। গণসংযোগকালে বিভিন্ন এলাকায় নারী-পুরুষের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১২ তারিখে ধানের শীষের ভোট বিপ্লব হবে।”

আরও পড়ুনঃ  তানোরে নির্বাচনী গণমিছিল ও পথসভায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন অধ্যাপক মজিবুর রহমান

তিনি জানান, ধানের শীষে ভোট দিলে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন করা হবে। নারীদের ক্ষমতায়নে প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড নারীদের হাতে প্রদান, কৃষি উন্নয়নে খাল খনন ও কৃষি কার্ড চালুর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মিলন বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বেড সংখ্যা বৃদ্ধি করে গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা হবে। শিক্ষার উন্নয়নেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
পবা-মোহনপুরের অভ্যন্তরীণ সড়কের দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ছয় মাসের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরু করবেন এবং পর্যায়ক্রমে ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।
তিনি ভোটারদের ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। নির্বাচনকে ঘিরে “ষড়যন্ত্র” হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় বড়গাছি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দাও ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোটের ফলাফল পর্যন্ত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে জানান উপস্থিত নেতাকর্মীরা।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বড়গাছি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা, বড়গাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জেকের আলী, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানি সুমন, নগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আলামিনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।