নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ শুক্রবার। রাত ১১:২৩। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

আশুলিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় পড়া শুরু

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ ১:৪২
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি দেখানো হচ্ছে রায়ের কার্যক্রম।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়।

প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন ১২টা ২৫ মিনিটে এ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তাদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত রায় পড়ছেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গ্রেপ্তাররা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।

আরও পড়ুনঃ  চায়না মাছ ধরা ফাঁদ হানি ট্রাপে বিপর্যয় জলাভূমির প্রাণবৈচিত্র্য

পলাতক আট আসামি হলেন- ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

আরও পড়ুনঃ  বেলুচিস্তানে ৪০ ঘণ্টার নিরাপত্তা অভিযানে ১৪৫ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার ১৬ আসামির বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। গত ১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল।

এ ঘটনায় শহীদ হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন- শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজল, আস সাবুর, তানজিল মাহমুদ সুজয়, বায়োজিদ বোস্তামী, আবুল হোসেন, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ শাহাবুল ইসলাম।

গত বছরের ২১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। সে সময় উপস্থিত আট আসামির সাতজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। একই বছরের ২ জুলাই প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত। অভিযোগের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যসূত্র হিসেবে ৩১৩ পৃষ্ঠা, দালিলিক প্রমাণাদি ১৬৮ পৃষ্ঠা ও দুটি পেনড্রাইভ যুক্ত করে প্রসিকিউশন।

আরও পড়ুনঃ  ভোটের আগে নাগরিকের প্রশ্নে প্রার্থীরা—নওহাটায় সুজনের ব্যতিক্রমী আয়োজন

এদিকে, রায় ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায়। পুলিশ-র্যাব, বিজিবির পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী। তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।