নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ শুক্রবার। সকাল ৭:১৮। ৩ এপ্রিল, ২০২৬।

কৃষক কার্ড-ফ্যামিলি কার্ডের কারণে মূল্যস্ফীতি হবে না : প্রধানমন্ত্রী

এপ্রিল ১, ২০২৬ ৭:০৩
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কারণে দেশে কোনো ধরনের মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং অর্থনীতি আরও সচল হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য আকতার হোসেনের (রংপুর ৪) এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য যে প্রশ্নটি করেছেন-কতজন মানুষের কাছে আমরা কার্ড পৌঁছে দেব, মূল্যস্ফীতি হবে কি না, বাজেট কত, স্বাভাবিকভাবে বাজেট কত, এটি আমরা এখনই বলছি না। অর্থাৎ আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে বিষয়গুলো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি তেলের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যশোর বিজিবির নজরদারি

আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটি সম্প্রসারণ করতে থাকব, অর্থাৎ অধিক সংখ্যক নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অধিক সংখ্যক পুরুষ কৃষক কার্ড পাবেন-একবারে সবাইকে দেওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতিবছর আমরা বাজেটের পরিমাণ বাড়াব এবং প্রতি বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে।

তিনি বলেন, এভাবে পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে আমরা এগোব এবং অবশ্যই এটি বাজেটে প্রাধান্য পাবে। আর আপনি যেটা বলেছেন মূল্যস্ফীতি হবে কিনা-আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না। কাজেই মূল্যস্ফীতি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

বরং আমরা মনে করি, এই টাকাগুলো যখন বাজারে যাবে, তখন প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও নারীরা তা দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন। তারা এই টাকা বিদেশে পাচার করবেন না; বরং স্থানীয় অর্থনীতিতে খরচ করবেন।

আরও পড়ুনঃ  ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন নারী এই টাকা দিয়ে সন্তানের পড়াশোনা, পরিবারের খাদ্যব্যবস্থা বা ছোট কোনো ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ফলে সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।’

উদাহরণ হিসেবে তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো নারী যদি এই টাকা দিয়ে স্থানীয় মুদির দোকান থেকে পণ্য কেনেন, তাহলে ওই দোকানের বিক্রি বাড়বে। এতে দোকানির আয় বাড়বে এবং প্রয়োজনে তিনি নতুন কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবেন। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।’

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় অর্থনীতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হবে। দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় শিল্পের পণ্য ব্যবহার করে। ফলে এসব উদ্যোগ স্থানীয় শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি না যে এতে মূল্যস্ফীতি হবে। বরং অর্থনীতি আরও সচল ও শক্তিশালী হবে। হয়তো আগামী ছয় মাসে বড় পরিবর্তন দেখা যাবে না, তবে তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।