নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ শনিবার। বিকাল ৫:১৭। ১৩ জুন, ২০২৬।

জয়পুরহাটে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ভোট চলাকালে সংঘর্ষ আহত ৯

জুন ৯, ২০২৬ ৯:২২ 👁️ ৪১ views
Link Copied!

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জেলার কালাই উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক প্রার্থী সহ কমপক্ষে ৯জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম, শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মণ্ডল, ইউসুফ আলী, সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া রয়েছেন ।

আরও পড়ুনঃ  ‘আবাবিল’ ড্রোনের আঘাতে ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ৪জন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছিল। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলের ৮ জন এবং ১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশ নেন। মোট ভোটার ছিলেন ৩৪০ জন।

ভোট গ্রহণের একপর্যায় লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সাথে কথা বলা নিয়ে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুনঃ  চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার

প্রত্যক্ষদর্শী ছাইদুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তার দাবি, এ ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং নির্বাচন ছিল কেবল উপলক্ষ।

প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন বাইরে থেকে লোক এনে তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনিছুর রহমান অভিযোগ পুরপুরি অস্বীকার করে বলেন, তার পক্ষের লোকজনও হামলার শিকার হয়েছেন।

নির্বাচনের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনা কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। ভোট গ্রহণ বন্ধ না করে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়েছে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিম আরা বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারামারির ঘটনায় অভিযোগ পেলে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।