নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ মঙ্গলবার। সকাল ১১:০১। ১৭ মার্চ, ২০২৬।

পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

মার্চ ১৫, ২০২৬ ১১:৫৫
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ ম্যাচ সিরিজের শেষ ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করল টাইগাররা।

রোববার (১৫ মার্চ) টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

২৯১ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দলীয় ১৭ রানে যখন হারিয়ে ফেলে ৩ ব্যাটারকে তখন দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন আবদুল সামাদ।

তবে দায়িত্ব নিয়েও বেশি সময় টিকতে পারেননি সামাদ। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে মুস্তাফিজের বলে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। সামাদ যখন আউট হন তখন স্কোরবোর্ডে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮২ রান।

এমন পরিস্থিতিতে বড় ব্যবধানে হারার শঙ্কায় ছিল পাকিস্তান। এই অবস্থায় ব্যাট হাতে মাঠে নামেন সালমান আলি আগা। মাঠে নেমেই মোড় ঘুড়িয়ে দেন খেলার।

আরও পড়ুনঃ  আজ থেকে দেশে আবার গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী

ব্যাট হাতে একপাশ আগলে তুলে নেন শতক। তার শতকে ভর করে জয়ের পথে ছিল পাকিস্তান। শেষদিকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৮ বলে ৩৩ রান; হাতে ছিল ৩ উইকেট।

এমন চাপের মুহূর্তে বল হাতে হাজির হন টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। ৪৮তম ওভারে মাত্র ৫ রান খরচে তুলে নেন শতক হাঁকানো সালমানের উইকেট। আউট হওয়ার আগে ৯৮ বলে ১০৬ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। জয়ের জন্য প্রয়োজন ১২ বলে ২৮ রান। হাতে মাত্র ২ উইকেট। ত্রিজে ব্যাট হাতে শাহিন আফ্রিদি।

৪৯তম ওভারে বল হাতে আক্রমণে আসেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। ওভারের প্রথম ৩ বলেই খরচ করে ফেলেন ১৩ রান, জমে ওঠে আবারও খেলা।

জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ৯ বলে ১৫ রান। অপর দিকে বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ২ উইকেট। এমন পরিসংখানে মুস্তাফিজ শেষ ৩ বলে মাত্র ১ রানে তুলে নেন এক উইকেট।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে ২০০ বোতল নেশা জাতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ১

সিরিজের শেষ ম্যাচের শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ১৪ রান, হাতে মাত্র ১ উইকেট। বল হাতে আক্রমণে আসেন রিশাদ হোসেন।

শেষ ওভারে বল হাতে মাত্র ২ রান খরচ করেন রিশাদ। এতে করে ১১ রানের ব্যবধানে জয় পায় বাংলাদেশ দল।

এর আগে প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মারকুটে স্বভাবে ব্যাট চালান তানজিদ তামিম। আরেক ওপেনার সাইফ হাসান দেখেশুনেই খেলতে থাকেন। দুই ওপেনারের জুটিতে শতরান পার করে টাইগাররা। দলীয় ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৫৫ বলে ৩৬ রান করে শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান।

সাইফ ফিরলে শান্তকে নিয়ে জুটি গড়েন তামিম। দলীয় ১৫৮ রানের মাথায় গিয়ে শান্তর আউটের মধ্য দিয়ে জুটি ভাঙে তাদের।

আরও পড়ুনঃ  রাসিকের নয়া প্রশাসক রিটনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

সাইফ-শান্ত ফিরলেও একপাশ আগলে প্রথমে অর্ধশতক, তারপর ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নেন তামিম। দলীয় ১৯৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আবরার আহমেদের বলে বিদায় নেন তানজিদ তামিম।

তানজিদ তামিম আউট হলে কমে যায় টাইগারদের রানের চাকা। একটা সময় মনে হয়েছিল ৩৩০-এ পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ পুঁজি। তবে তা আর হয়নি। শেষদিকে তাওহীদ হৃদয়ের ৪৪ বলে ৪৮ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রানের সংগ্রহ পায় টাইগাররা।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন সাইফ হাসান, ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম, ৩৪ বলে ২৭ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ৪৪ বলে ৪৮ রান করেন হৃদয়।

বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে ৩টি উইকেট নেন হারিস রউফ, এবং ১টি করে উইকেট নেন শাহীন শাহ আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।