অনলাইন ডেস্ক : রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা অন্য যেকোনো প্রয়োজনে সোহাগের কাছ থেকে টাকা (চাঁদা) চাইতেন মাহমুদুল হাসান মহিন। নিয়মিত টাকা দিতেন সোহাগও। প্রায় বন্ধুত্বের মতো এই সম্পর্ক শত্রুতায় রূপ নেয় গত জুন থেকে। চাঁদা ‘ফিক্সড’ করে দেওয়ায় তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। চূড়ান্ত তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয় গত ৭ জুলাই। বড় অঙ্কের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো সোহাগকে সোজা করতে মহিন ও টিটন গাজী পরিকল্পনা করেন তাকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার। চাঁদা না দিলে পুরো ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ হারাবেন সোহাগ- এমন হুমকি দেন তারা। ওইদিন সোহাগকে হত্যার ঘটনায় মামলা থেকে বাঁচতে ‘মব’ তৈরির চেষ্টা করেন খুনিরা। তাই সোহাগকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে টেনে-হিঁচড়ে মিটফোর্ড হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে নিয়ে আসেন এবং প্রকাশ্যে উল্লাসে মাতেন। উপস্থিত লোকজনকেও হামলায় অংশ নিতে ডাক দেন তারা, যাতে এটিকে...
Developed by BDITHOST