নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ সোমবার। রাত ৪:৪৩। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫।

সীমান্তে হত্যা নিষ্ঠুরতা, এটি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন : ড. ইউনূস

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৪ ৫:০৮
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনাকে ‘নিষ্ঠুরতা’ বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেলজীয় অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাক্ষাৎকারে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে মুহম্মদ ইউনূস বলেন, “সীমান্তে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেটির সমাধানের জন্য আইনগত পথ-পদ্ধতি রয়েছে। কাউকে হত্যা করা কখনও কোনো সমাধান নয়।”

“সীমান্তে হত্যার যে ব্যাপারটি নিয়ে গত বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনা চলছে…এসব হত্যাকাণ্ড কিন্তু একতরফা। যারা সীমান্ত অতিক্রম করে, তারা নিতান্তই সাধারণ লোকজন। আপনাদের রাষ্ট্র দখল করার কোনো ইচ্ছে, পরিকল্পনা বা ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তাদেরকে হত্যা করা আসলে একপ্রকার নিষ্ঠুরতা এবং এই নিষ্ঠুরতা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।”

আরও পড়ুনঃ  আবারও যুদ্ধের সতর্কবার্তা ইরানের, ঘরে ঘরে প্রস্তুতির আহ্বান

সাক্ষাৎকারে দুই দেশের পানিবণ্টন সমস্যা, বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি নিয়ে মতপার্থক্য নিয়েও কথা বলেছেন ড. মুহম্মদ ইউনূস। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “এটি নতুন কোনো ইস্যু নয়, বরং অনেক পুরোনো। অতীতে অনেক বার অনেক উপলক্ষে আমরা এ ইস্যুতে কথা বলেছি। আমরা চুক্তি চুড়ান্ত করতে চাই, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারও চায়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সরকার চায় না। এই ইস্যুটি আমাদের সমাধান করতে হবে।”

আরও পড়ুনঃ  গাজায় একদিনে নিহত ৭৬, মোট প্রাণহানি প্রায় ৬২ হাজার ৯০০

শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ত্যাগ করতে ভারতে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দেশ ত্যাগ করার তিন দিন পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন ইউনূস।

বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গত ১৩ আগস্ট ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বলেছিলেন, আন্দোলনের নামে যারা ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম পরিচালিত করেছে, তাদেরকে অবশ্যই তদন্ত ও বিচারের মুখোমুখী করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  গাজায় ছড়িয়ে পড়ছে দুর্ভিক্ষ, অনাহারে আরও ১০ জনের মৃত্যু

পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, “শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করায় কেউই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কারণ বিচার করার জন্য আমরা তাকে ফেরত আনতে চাই। তিনি ভারতে রয়েছেন এবং সেখান থেকেই মাঝে মাঝে কথা বলছেন। এটা সমস্যা তৈরি করছে। যদি তিনি চুপ থাকতেন, তাহলে আমরা ভুলে যেতাম। মানুষও এটা ভুলে যেত, যদি তিনি নিজের জগতেই থাকতেন। কিন্তু তিনি ভারতে বসে কথা বলছেন এবং দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন, কেউই এটা পছন্দ করছে না।’’ -সূত্র : ইউএনবি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।