নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

হামাসের অস্ত্র সমর্পণ ও গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের শর্তে চুক্তি সই

জুলাই ৩১, ২০২৬ ৬:৪৬ 👁️ ১০ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা শুক্রবার এএফপিকে জানিয়েছেন, যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইসরাইলের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তিতে সংগঠনটির অস্ত্র সমর্পণ এবং গাজা উপত্যকা থেকে ধাপে ধাপে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি ইসরাইল ও গোষ্ঠীটির মধ্যে অক্টোবর থেকে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির অগ্রগতির পথে অন্যতম প্রধান জটিল বিষয় ছিল। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রতিদিনই সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী বলছে, তারা হামাসের যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

হামাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অস্ত্রের বিষয় নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। একই সঙ্গে গাজা উপত্যকা থেকে (ইসরাইলি বাহিনীর) ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

তিনি বলেন, এখন হামাস আশা করছে মধ্যস্থতাকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ চুক্তির শর্তগুলো ইসরাইল মেনে চলছে কি না, তা নিশ্চিত করা।

হামাসের আলোচনাকারী দলের সদস্য গাজি হামাদ বলেন, গাজাবাসীকে হত্যা ও বাস্তুচ্যুতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সংগঠনটি ‘জনগণের স্বার্থে কিছু ছাড় দিচ্ছে’।

তিনি বলেন, হামাসের অস্ত্রের বিষয়টি ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, জাতীয় কমিটির মোতায়েন এবং গাজার পুনর্গঠন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে ইসরাইল কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। এই কাজটি জাতীয় কমিটিই পরিচালনা করবে।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২৭

হামাস কর্মকর্তা জানান, গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি (এনসিএজি) নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অস্ত্রের তালিকা তৈরি ও সংরক্ষণের কাজ পরিচালনা করবে। গাজায় অস্ত্র সংরক্ষণ, মজুত বা নিয়ন্ত্রণের একমাত্র অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হবে জাতীয় কমিটি।

‘বোর্ড অব পিস’-এর মাধ্যমে গঠিত গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি এখনো গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করেনি।

গাজি হামাদ জানান, প্রায় ছয় মাস আগে শুরু হওয়া ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ আলোচনার পর এই সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে। এই চুক্তিতে যুদ্ধের অবসান, গাজায় জাতীয় কমিটির প্রবেশ, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, পুনর্গঠন এবং আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে জেল সুপারগণের কর্মশালায় পুলিশ কমিশনারের বিশেষ ক্লাস

তিনি বলেন, ‘এটি একটি সমন্বিত কাঠামো, যার প্রতিটি অংশ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং সেই সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এছাড়া অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকেও বিলুপ্ত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, এখন হামাস মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে এবং তা কার্যকর করার সময়সূচি নির্ধারণ করবে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।