নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ বুধবার। রাত ৪:১২। ২৭ মে, ২০২৬।

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস – প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মে ২৭, ২০২৬ ১:৩৫ 👁️ ৫১ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের জন্য বছরের অন্যতম বড় আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ।

মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোরবানির আয়োজন। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে কোরবানির মৌসুম প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করে।

আরও পড়ুনঃ  গরুকে কেন ‘জাতীয় পশু’ ঘোষণার দাবি ভারতের মুসলিম সংগঠনগুলোর

মন্ত্রী বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহায়তা ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খামারভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এটি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করছে।

আরও পড়ুনঃ  রাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের অর্থের চেক হিসাব বিভাগে হস্তান্তর

কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায় থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম দায়িত্ব পালন করছে। খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুনঃ  তানোরে খাল পুন:খননে ‘সাগর চুরি’ অভিযোগ, ফেসবুকে ভাইরাল অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র

চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা বা অব্যবস্থাপনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই নিরাপদ লেনদেন করতে পারেন।

এসময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো: সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মাহে আলম, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।