নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ রবিবার। রাত ১২:০৪। ৩১ মে, ২০২৬।

বর্ণিল আয়োজনে রাজশাহীতে উদ্‌যাপিত হলো বাংলা নববর্ষ

এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ৬:০২ 👁️ ১৪ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং উৎসাহ উদ্দীপনায় রাজশাহীতে উদ্‌যাপিত হলো পহেলা বৈশাখ।

আজ মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে দিনটিকে স্বাগত জানায় রাজশাহীবাসী।

পরিবেশন করা হয় জাতীয় সংগীত ও বর্ষবরণের গান ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’। ছবি- কাবিল হোসেন

দিবসটি উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাতটায় কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেনের সামনে থেকে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ স্লোগানকে সামনে রেখে এক বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সিএন্ডবি মোড় ঘুরে শিশু একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে বিভাগীয় কমিশনার, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, ডিআইজি, আরএমপি কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ বর্ণিল সাজে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয় ।

শিশু একাডেমি চত্বরে দুইদিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ও রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। ছবি- কাবিল হোসেন

সকাল পৌনে আটটায় শোভাযাত্রা শেষে শিশু একাডেমি চত্বরে দুইদিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ও রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। এরপর পরিবেশন করা হয় জাতীয় সংগীত ও বর্ষবরণের গান ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’।

আরও পড়ুনঃ  ‘স্বপ্ন এবার বিশ্বজয়ের’

পরে একই স্থানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান অনুষ্ঠানে আগত সর্বসাধারণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

 

বিভাগীয় কমিশনার তার বক্তৃতায় বলেন, পুরাতন বছরকে ফেলে এসে আমরা একটি নতুন বছরে, নতুন দিনে, নতুন সকালে পদার্পণ করেছি। বাঙালির ইতিহাস এবং বাঙালির ঐতিহ্য আজকে আমরা র‌্যালি দিয়ে শুরু করেছি। সেখানে বাঙালি জাতির অনাদিকালের যে সমস্ত ঐতিহ্য ছিল সেটা আমরা প্রদর্শন করেছি।

আরও পড়ুনঃ  রেকর্ডভাঙা তাপে পুড়ছে ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন ও যুক্তরাজ্য

বজলুর রশীদ বলেন, এই মঞ্চে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে। আমাদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য- এ এলাকার গম্ভীরা, আলকাপ গান এবং যাত্রাপালা এই মঞ্চে মঞ্চস্থ করবো।

তিনি আরও বলেন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল প্রশান্তি ও অনাবিল উন্নতি এবং বাংলার জয়যাত্রায় আমরা বাঙালি হিসেবে দেশ গঠনে সবাই আত্মনিয়োগ করব।

আলোচনা শেষে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শিশু একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা ছাড়াও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিল্পী এবং নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।