অনলাইন ডেস্ক : র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫ (র্যাব-১৫)-এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানসহ ব্যাটালিয়নের মোট ৪৭২ সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। ৪৭২ জন সদস্য নিয়ে র্যাব-১৫ ব্যাটালিয়ন গঠিত।
গত ১৯ ও ২৭ নভেম্বর জারি করা তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব বদলির আদেশ দেওয়া হয়। বদলি হওয়াদের মধ্যে র্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কামরুল হাসানকে র্যাব সদর দপ্তরের কমিউনিকেশন শাখার পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে র্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযোগের বিষয়টি র্যাব সদর দপ্তর তদন্ত করছে। তদন্তে যদি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই অভিযোগে র্যাব-১৫ থেকে একযোগে তিন শতাধিক সদস্যকে বদলি করার ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কারণ সামনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে র্যাবের ব্যাটালিয়নগুলোতে জনবল ঢেলে সাজানো হচ্ছে। র্যাবের এই বদলির বিষয়টিও সরকারের নির্দেশনায় হয়েছে। কারণ অনেক ব্যাটালিয়নগুলোতে জনবল কম। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে লোকবল বাড়াতে এই সিদ্বান্ত নেওয়া হয়।
র্যাব সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে ১৯৮ সদস্য এবং একই তারিখে আরেকটি প্রজ্ঞাপনে আরও ২০০ সদস্যকে বদলি করা হয়। এরপর ২৭ নভেম্বর তৃতীয় দফায় আরও ৭৪ সদস্যকে বদলি করা হয়।
র্যাব সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, বাস্তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে র্যাব-১৫ কে ঘিরে বেশ কিছু অভিযোগ ওঠার পর সদর দফতরে বিশেষ তদন্ত শুরু করে। এই তদন্তে দুটি আলোচিত অভিযানকে কেন্দ্র করে গুরুতর অসঙ্গতি বেরিয়ে আসার পর ব্যাটালিয়নের সদস্যদের পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ব্যাটালিয়নে বদলি করা হয়।-ইত্তেফাক
