নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

আগস্ট ৭, ২০২৬ ৫:০৬ 👁️ ১৩ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। তবে শুধু সরকার নয়, গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান-সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকাই একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র শুধু নির্বাচননির্ভর কোনো ব্যবস্থা নয়, এটি একটি সংস্কৃতি। তাই টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা না গেলে গণতন্ত্রও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, সত্য প্রকাশই গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কোনো ধরনের সেল্ফ সেন্সরশিপ নয়, সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে টেকসই করতে হলে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়াতে পারলে গণমাধ্যম আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। একই সঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম জনগণের আস্থা অর্জন করবে এবং গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন, বর্জন ও বিসর্জন

সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার, গণমাধ্যমের মালিকপক্ষ ও বিজ্ঞাপনদাতাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা গেলে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরো শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুনঃ  রুয়েটে নাটোর জেলা সমিতির নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল।-বাসস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।