নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ শনিবার। রাত ৯:০২। ১৩ জুন, ২০২৬।

জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধার পাশে ডিসি ফরিদা খানম

জুন ৯, ২০২৬ ১২:২২ 👁️ ৭৯ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করা সুজনের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ ফরিদা খানম। তার পারিবারিক ও আর্থিক দুর্দশার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দিয়েছেন এই জেলা প্রশাসক ।

সোমবার ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিজের অসহায় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন সুজন। জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে সুজন এখন স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়াও তার কর্মহীন পরিস্থিতির কারণে পরিবার অনেক সংকটে পড়েছে। এদিকে, স্ট্রোকে আক্রান্ত বাবার পাশাপাশি দায়িত্বে রয়েছে তালাকপ্রাপ্তা তার এক বোন। অন্যদিকে তার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা হওয়ায় চিকিৎসা ও সংসার ব্যয়ের চাপ আরও বেড়েছে বলে জানান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের কাছে সহায়তার আবেদন জানালে সুজনের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম।

আরও পড়ুনঃ  বাবার স্মৃতি বিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা আত্মত্যাগ করেছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব রয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশাসন সবসময় তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। সুজনের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত কষ্টকর। তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি তার জন্য একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও আমরা উদ্যোগ নেব। প্রধানমন্ত্রী সবসময় অসহায় ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় জেলা প্রশাসনও মানবিক দায়িত্ব পালনে কাজ করে যাচ্ছে।’

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২১

আর্থিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত সুজন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার পর জীবনটা যেন একেবারে থমকে গেছে। বাবা স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী, বোনের সংসার ভেঙে গেছে, আমার স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। পরিবারের দিকে তাকালে নিজেকে খুব অসহায় লাগে। অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্তু আজ জেলা প্রশাসক ম্যাডাম আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। শুধু আর্থিক সহায়তাই দেননি, ভবিষ্যতে কাজের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দিয়েছেন। এই সহযোগিতা আমার পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে।’

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথার অবসান, কেজি দরে কেনাবেচার সিদ্ধান্ত

এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।