নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ রবিবার। বিকাল ৫:৫৩। ১৭ মে, ২০২৬।

চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত : শিল্পমন্ত্রী

মে ১৬, ২০২৬ ১০:১৮
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। কিন্তু হাজারীবাগ থেকে যেভাবে ট্যানারি শিল্পকে সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে, সেটি ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ। ফলে এই শিল্প তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই খাতকে কার্যত নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। অথচ সারা বছর দেশে যে পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ করা হয়, তার পুরোটা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা গেলে ১২ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।

মন্ত্রী শনিবার (১৬ মে) সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বিসিক কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

আরও পড়ুনঃ  খাল খনন কাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক চারঘাটে

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ মোকাবিলায় সাভারের চামড়া শিল্প নগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) বর্তমান সক্ষমতায় যথেষ্ট নয়।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সিইটিপিতে প্রি-ট্রিটমেন্টের মান বজায় রেখে প্রতিদিন ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার সিপিএম বর্জ্য পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে ঈদ মৌসুমে ট্যানারিগুলোতে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বর্জ্যের চাপও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। সে সময় দৈনিক বর্জ্য পরিশোধনের চাহিদা প্রায় ৪৫ হাজার সিপিএমে পৌঁছে যায়। ফলে বিদ্যমান সিইটিপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ট্যানারি শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সেই বাড়তি উৎপাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা উন্নয়ন নাগরিক ফোরামের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যেসব ট্যানারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক ও কারিগরি দিক থেকে সক্ষম, তাদের নিজস্ব ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনে উৎসাহিত করা হবে। এতে কেন্দ্রীয় ইটিপির ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে সরকার নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে। ট্যানারি শিল্পের পরিবেশগত সংকট নিরসনে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সিইটিপির সব ধরনের প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশসম্মত ট্যানারি শিল্প গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান ।

আরও পড়ুনঃ  এলজিইডির প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

মতবিনিময় সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিক কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন ট্যানারি মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
#

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।