স্টাফ রিপোর্টার : মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পবা থানা ও কাটাখালি থানার পৃথক অভিযানে এ্যালকাহোল ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরএমপি জানায়, অভিযানে ১২০ বোতলে মোট ১২ লিটার এ্যালকাহোল এবং ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো: হাসিবুল হাসান (২১); মোহাম্মদ আলী (২৮) এবং তারিক মোহাম্মদ মনিম (৩২)। হাসিবুল বগুড়া জেলার সদর থানার পূর্ব পালসা গ্রামের নুর আলম সরকারের ছেলে, বর্তমানে রাজশাহী নগরীর নওহাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। মোহাম্মদ আলী রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার সারদা থানাপাড়া গ্রামের মো: বাবুল আলীর ছেলে এবং তারিক মোহাম্মদ মনিম একই থানার মিয়াপুর গ্রামের মো: ইব্রাহিম খলিলের ছেলে।
পুলিশ আরও জানায়, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ২২টার দিকে পবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই মো: রাজিবুল করিম ও তার টিম রাজশাহী টু নওগাঁ মহাসড়কের নওহাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ্যালকাহোল বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানরত হাসিবুলকে আটক করে। এসময় তার ভাড়া বাসা তল্লাশি করে ১২০ বোতলে মোট ১২ লিটার এ্যালকাহোল উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত হাসিবুল জানায় সে DEEPLAID LTD. এর একজন মেডিকেল প্রমোশন অফিসার। জব্দকৃত আলামত সমূহের চালান, ভাউচারসহ অন্যান্য কাগজপত্র প্রদর্শন করতে বললে সে কোন কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারে নাই। সে আরও জানায় জব্দকৃত এ্যালকাহোল মো: শফিকুল ইসলাম পলাশ নামের একজন মাদক ব্যবসায়ী তাকে সরবরাহ করেছে। গ্রেপ্তারকৃত হাসিবুলের ফোনের মাধ্যমে শফিকুলের সাথে যোগাযোগ করলে সে এ্যালকাহোল সরবরাহের কথা স্বীকার করেন এবং পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে না এসে পলাতক রয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০ টার দিকে কাটাখালি থানা পুলিশের এসআই মো: নাদিম উদ্দিন ও তার টিম কাটাখালি থানার শ্যামপুর আজিজুলের মোড়ে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে মোটরসাইকেল যোগে আগত ২ জন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আসতে দেখলে তাদের থামিয়ে দেহ তল্লাশি করে মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তার সাথে থাকা তারিককে আটক করেন এবং মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেন।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিই বিক্রির উদ্দেশ্যে মাদক রাখার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে এবং পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
