স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও বেলপুকুর থানার পৃথক অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরএমপি জানায়, অভিযানে ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ৪০ পিচ ইয়াবা ও ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো: মোজাম্মেল হক (৪৮) ও মো: সাকিব আলী (১৯)। মোজাম্মেল রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার বসরী (হড়গ্রাম) এলাকার মৃত হাসানের ছেলে এবং সাকিব রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর থানার কুহাড় এলাকার মোঃ সাইদার আলীর ছেলে।
আরএমপি আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌণে ৭টার দিকে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, পবা থানার বাগধানী উলাপুর এলাকায় জনি নামের এক ব্যক্তি নিজ বাড়িতে গাঁজা বিক্রি করছেন।
সংবাদ প্রাপ্তির পর ডিবি পুলিশের ওই টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত জনি কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় তার বাড়ি তল্লাশি করে খাটের নিচে রাখা বাজারের ব্যাগ থেকে সর্বমোট ১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে গোয়েন্দা শাখা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, কাশিয়াডাঙ্গা থানার পূর্ব রায়পাড়া এলাকায় মোজাম্মেল নামীয় একজন ব্যক্তি ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন।
সংবাদ প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশের ওই টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মোজাম্মেল পালানোর চেষ্টা করলে ডিবি পুলিশের টিম তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তার দেহ তল্লাশি করে ৪০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত ১১টার দিকে বেলপুকুর থানার একটি টিম বেলপুকুর থানার বাইপাস মোড় এলাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, বেলপুকুর থানার মাহেন্দ্রা বাজার এলাকায় সাকিব ট্যাপেন্টাডল বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।
খবর পেয়ে পুলিশের ওই টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সাকিব পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তার দেহ তল্লাশি করে ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব মাদকদ্রব্য নিজের হেফাজতে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
