স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হেরোইন ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থসহ ২ নারী ও ১ যুবক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরএমপি জানায়, অভিযানে সাড়ে ৯ গ্রাম হেরোইন, ১৭৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক বিক্রির নগদ ৬ হাজার ৬শ ৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোসা: খালেদা বেগম (২৫), মোছা: নাছরিন খাতুন (২৬) এবং মো: শুভ ওরফে সিজান (২০)। খালেদা মো: খাইরুল ইসলামের মেয়ে এবং নাছরিন মো: আজাহার আলীর মেয়ে। উভয় রাজশাহী মনগরীর চন্দ্রিমা থানার রেলওয়ে কলোনীর বাসিন্দা। শুভ রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানার ফুদকিপাড়া গ্রামের মো: সাইরুল ইসলামের ছেলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পুলিশ চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক লেকপাড় এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রেলওয়ে কলোনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে হেরোইন ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিক্রির সময় খালেদা বেগমকে আটক করা হয়। এসময় তার হেফাজত হতে ১৯ পুরিয়া হেরোইন (ওজন ৩ গ্রাম), ৭ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ১ হাজার ৫শ ৪০ টাকা জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামির স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে তার পাশ্ববর্তী বসতবাড়িতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে নাছরিন খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত হতে ১৭ পুরিয়া ও আরও একটি পুটলিতে রাখা সর্বমোট সাড়ে ৬ গ্রাম হেরোইন, ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ৫ হাজার ১শ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও একই দিনে দুপুর সোয়া ২ টায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অপর একটি টিম শাহমখদুম থানার সিটিহাট মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই থানার নতুন ফুদকিপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানকারী শুভকে আটক করা হয়। আটককালে শুভর দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজ নিজ হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরপূর্বক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
