মমিনুল ইসলাম মুন, স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর তানোরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব শংকর বসাক, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বার্নাবাস হাসদাক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ওয়াজেদ আলী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন, উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার, মৎস্য কর্মকর্তা সাজু চৌধুরী, বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত) জামিনুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তানোর জোনের ডিজিএম রেজাউল করিম খান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষা কর্মকর্তা আলেয়া ফেরদৌসী, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাহিদুল ইসলাম, নির্বাচন কর্মকর্তা সুস্মিত রায়, জনস্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, সমবায় কর্মকর্তা নাদিম উদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হামজা, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোস্তাকিমা, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা বাবলুর রহমান, নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলী অমিত হাসান আরিফ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক মলিউজ্জামান সজিব, তানোর প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদ সাজু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং তানোর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় ইউএনও নাঈমা খান বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত ভালো রয়েছে এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে দেওয়া যাবে না। সকলকে সমতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আরও বেশি নজরদারি বাড়াতে হবে। তানোর উপজেলা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানকার জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যারা শান্তি বিনষ্টের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউএনও বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সকলের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব।
