নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১০:১৮ 👁️ ১৯ views
Link Copied!

মমিনুল ইসলাম মুন, স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে রেখে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার ১৯ এপ্রিল বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে স্কুল চত্বরে অবস্থান নেয় এবং বিভিন্ন স্লোগান দেয়। এ সময় প্রধান শিক্ষক কৌশলে স্থান ত্যাগ করেন। পরে সাবেক সভাপতির আহ্বানে তিনি স্কুলে ফিরে আসেন। এরপর স্কুলের অফিস কক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর নিয়মিত ২৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয় এবং টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে অ্যালকোহল ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পরীক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম জানান, ফরম পূরণে ২৭০০ টাকা, কোচিং বাবদ ২০০০ টাকা এবং প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, একই খরচ দেওয়ার পরও প্রবেশপত্র নিতে আরও ৫০০ টাকা দাবি করা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। মিনহাজুল ইসলাম জানান, সহকারী শিক্ষক ৫০০ টাকা দাবি করেন এবং তা না দেওয়ায় তার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। তিনি বলেন, তার কৃষক পিতার পক্ষে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, ফলে তিনি পরীক্ষা দিতে পারবেন কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি সম্ভব : বাণিজ্যমন্ত্রী

এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ ন ম মোফাখখারুল বলেন, প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য কোনো ধরনের টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বোর্ড নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় করার সুযোগ নেই। পরীক্ষার খরচ ও কেন্দ্র ফি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত নিয়মেই নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই

অভিযোগের বিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কোচিং বাবদ এক হাজার টাকা এবং প্রবেশপত্র সংক্রান্ত আদায়কৃত অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

স্কুলের সাবেক সভাপতি মানিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করে অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।