অনলাইন ডেস্ক : আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরলেও গোলের কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। তাতে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হয়।
ম্যাচের শুরুতেই প্রথম আক্রমণ করে স্পেন। দানি ওলমোর সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাসে বক্সে ঢুকে পড়েন লামিনে ইয়ামাল। তবে কঠিন কোণ থেকে নেওয়া তার শটটি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দারুণভাবে আটকে দেন। সুযোগ হাতছাড়া না করলে এগিয়ে যেত স্পেন।
এরপর পাল্টা আক্রমণে উঠে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেন লিওনেল মেসি। স্পেনের রক্ষণভাগ ভেদ করে সামনে এগিয়ে গেলেও দ্রুত গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে বিপদ সামাল দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। তবে সিমনের ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেলে গোলের দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করতে পারত আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ১৬ মিনিটে বক্সের কিছুটা দূরে ফ্রি-কিক পেলেও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এর পরের মিনিটেই ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে কিছুটা জায়গা বের করে নেন ইয়ামাল। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন তিনি। তবে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এগিয়ে এসে বলটি তালুবন্দি করে আর্জেন্টিনাকে বিপদমুক্ত করেন।
হাইড্রেশন বিরতির আগে স্পেন কর্নার পেলেও তা থেকে কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।
ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আক্রমণে উঠে স্পেন। বল পেয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে শট নেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। তবে তার শটটি সোজা চলে যায় আর্জেন্টিনার গোলরক্ষকের হাতে। সহজেই বলটি তালুবন্দি করেন এমিলিয়ানো।
৪২ মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠেন মার্ক কুকুরেয়া। ভেতরে ঢুকে নিচু ও জোরালো শট নেন স্পেনের এই ডিফেন্ডার। শটটি আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও শেষ পর্যন্ত পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এতে গোলের দেখা পাওয়ার খুব কাছে গিয়েও এগিয়ে যেতে পারেনি স্পেন।
হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ম্যাচের ৪৪ মিনিটে মাঠেই বসে পড়েন। ইনজুরির ইস্যু থাকায় তাকে তুলে নেন স্কালোনি। তার জায়গায় মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি।
প্রথমার্ধের বাকিটা সময় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি দুই দল। তাতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে প্রথমার্ধের খেলা।
প্রথমার্ধে স্পেনের দখলে বল ছিল ৬৪ শতাংশ, আর্জেন্টিনার ৩৬ শতাংশ। গোলমুখে ৩টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে স্পেন। অন্যদিকে গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
যদিও আগের ম্যাচগুলোতে দ্বিতীয়ার্ধের পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে নিতে দেখা গেছে আর্জেন্টিনা। এমনকি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে জয়ও তুলে নেয় তারা। এখন দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা কীভাবে ফিরে আসে সেটাই দেখার পালা।
