অনলাইন ডেস্ক : ঈদে ঘরেফেরা মানুষের চাপে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে স্বাভাবিকের চেয়ে চার গুণ বেশি যানবাহন চলাচল করেছে। টোল আদায় হয়েছে পৌনে ৪ কোটি টাকারও বেশি। অতিরিক্ত গাড়ির চাপে কিছুটা ধীরগতি থাকলেও সিরাজগঞ্জের কোনো মহাসড়কে যানজট ছিল না।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, সোমবার (২৫ মে) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন চলাচল করেছে। বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।
এর মধ্যে সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজায় (উত্তরবঙ্গগামী লেন) ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা। অপরদিকে পশ্চিম টোলপ্লাজায় ২১ হাজার ৬০টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
তিনি বলেন, যানবাহনের চাপ সামলাতে নিয়মিত ১৪টি বুথের সঙ্গে আরও ৪টি অতিরিক্ত বুথ চালু করা হয়েছে।
এদিকে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গণপরিবহন ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেলযোগে ঘরে ফিরছে হাজার হাজার মানুষ। বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করলেও যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কসহ সিরাজগঞ্জের কোনো রুটে যানজট ছিল না। তবে সোমবার রাত ১১টার পর থেকে অতিরিক্ত গাড়ির চাপে মহাসড়কে কিছুটা ধীরগতি ছিল।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা ৪ গুণেরও বেশি বেড়েছে। রাত ১১টার পর থেকে কিছুটা ধীরগতি ছিল। তবে গাড়ি কোথাও থেমে থাকেনি।
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সান্তু বলেন, জেলা পুলিশের ৬১৪ জন সদস্য, ৩১ জন অফিসার ও সাদা পোশাকে ১০০ গোয়েন্দা পুলিশসহ মোট ৮ শতাধিক ফোর্স ও অফিসার কাজ করবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা করতে। এই ঈদের সময় দুই দিক থেকে ঘরমুখো মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুর গাড়িও চলবে। এ কারণে চাপ কিছুটা বেশি থাকবে। তবে আমরা পরিকল্পনা করেছি, আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবেই ঈদযাত্রা সম্পন্ন হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ
