নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও জনমিতিক লভ্যাংশ অর্জন

জুলাই ২৭, ২০২৬ ৭:৪৮ 👁️ ৪৪ views
Link Copied!

মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান : স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ শুধু জনবল ঘাটতি নয়, বরং জনবল ব্যবস্থাপনারও। সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন পদে জনবলের চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে এটাও লক্ষ্যনীয় যে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা কর্মসংস্থানের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। দেশের গ্রামীণ এলাকায় জনবল সংকট তীব্র। অপরদিকে শহরাঞ্চলে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঘনত্ব তুলনামুলকভাবে বেশি।

 

এই বাস্তবতা আমাদের কর্মশক্তি পরিকল্পনা (workforce planning) এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। কর্মশক্তি পরিকল্পনা হলো এমন একটি কৌশলগত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান তাদের লক্ষ্য পূরণের জন্য ভবিষ্যতে ঠিক কতজন কর্মী এবং কী ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করে। এটি নিশ্চিত করে যে, সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গায় এবং সঠিক যোগ্যতার কর্মীরা যেন নিয়োজিত থাকেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ কেবল স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি নয়; বরং সঠিক দক্ষতা, সঠিক পদসংখ্যার অনুপাত এবং সঠিক ভৌগোলিক বণ্টন নিশ্চিত করা। বিশেষ করে নার্স ও মিডওয়াইফ এর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন। আর এ বিনিয়োগ করতে হবে মূলত প্রশিক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায়। বাংলাদেশ বর্তমানে এমন একটি জনমিতিক পর্যায়ে অবস্থান করছে যেখানে কর্মক্ষম বয়সি জনগোষ্ঠীর অনুপাত তুলনামূলকভাবে বেশি। এই পরিস্থিতি আমাদের জন্য একটি বিরল এবং সীমিত সময়ের জন্য হলেও ভালো সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যাকে জনমিতিক লভ্যাংশ বা Demographic Dividend বলা হয়। আর এই জনমিতিক লভ্যাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্জিত হয় না। বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি অর্জন করতে হয়। আর সেই অর্জনের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হলো দক্ষ মানবসম্পদ।

 

জনমিতিক সুফল অর্জন করতে হয় সঠিক নীতি, পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে। স্বাস্থ্যখাতের কথা চিন্তা করলে আমাদের সবচেয়ে বড়ো অগ্রাধিকার হতে পারে কৈশোর থেকেই প্রতিটি ছেলে-মেয়ের শারীরিক, মানসিক এবং প্রজনন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা। কারণ একজন অপুষ্ট কিশোর, একজন অসুস্থ কিশোরী বা একজন অল্প বয়সি মা কখনোই তার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে না। এ জন্য আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে কিশোর-কিশোরীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য ও পরামর্শ প্রদান, অনাকাঙ্ক্ষিত কিশোরী মাতৃত্ব ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি। সুস্থ, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী তরুণরাই বাংলাদেশের জনমিতিক সুফলকে বাস্তবে রূপ দেবে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

 

সম্প্রতি জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কর্তৃক পরিচালিত এবং পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত “Potentials of Health Workforce for Harnessing Demographic Dividend in Bangladesh: Opportunities, Challenges and Policy Implications” শীর্ষক গবেষণায় স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা, স্বাস্থ্যকর্মী উৎপাদন, চাহিদা, নিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ এবং শ্রমবাজারে শোষণক্ষমতার মতো বিষয়গুলোকে একসঙ্গে বিশ্লেষণ করেছে। যা আমাদের সামনে একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

 

উল্লেখিত গবেষণার দেখা যায় ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ১ লক্ষ ২৩ হাজারেরও বেশি নিবন্ধিত এমবিবিএস চিকিৎসক, প্রায় ৮৬ হাজার নার্স, ৩০ হাজারেরও বেশি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং কয়েক হাজার মিডওয়াইফ কর্মরত বা নিবন্ধিত রয়েছেন। গবেষণাটি দেখিয়েছে যে স্বাস্থ্যখাতে আমাদের জনবল অপ্রতুল। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী ঘনত্ব এখনো প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যায় মাত্র ১২.৭৮, যা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত ৪৪.৫-এর মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। অর্থাৎ আমরা এখনো পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতে পারিনি। আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকনির্ভর নয় বরং এটি বহু-শৃঙ্খলাভিত্তিক কর্মী বাহিনী ( multidisciplinary workforce) এর ওপর নির্ভরশীল। বহু-শৃঙ্খলাভিত্তিক কর্মী বাহিনী হলো এমন একটি দল যেখানে বিভিন্ন পেশা, ক্ষেত্র এবং দক্ষতার কর্মীরা একটি সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসাথে কাজ করেন। কাজেই চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

 

এই গবেষণার আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে আমাদের অবস্থান নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে । বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের একটি বড়ো অংশ বিদেশে কর্মসংস্থানের বিষয়ে চেষ্টা করছে এবং ক্ষেত্রবিশেষে সফলও হচ্ছে। দেশের বাইরে স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতা, আন্তর্জাতিক লাইসেন্সিং পরীক্ষা, সনদের সমতা, তথ্যের অভাব এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার সীমাবদ্ধতা বড়ো প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। এ বিষয়ে নীতিগত সহায়তা দরকার। আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও মানবপ্রেমই প্রকৃত ধর্মচর্চার শিক্ষা : তথ্যমন্ত্রী

 

দেশের স্বাস্থ্যসেবা চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি – এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেই আমাদের এগোতে হবে। উল্লেখিত গবেষণাটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকও তুলে ধরেছে। গবেষণা সুযোগ, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমাদের উন্নতির সুযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের শিক্ষা শুধু ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। তাদেরকে গবেষণা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং আজীবন শিক্ষার সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মী উন্নয়নকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যাবে না। এটি শিক্ষা নীতি, কর্মসংস্থান নীতি, স্বাস্থ্যনীতি, মানবসম্পদ নীতি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যকর্মী বাহিনী আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদগুলোর একটি। যদি এই মানবসম্পদকে সঠিকভাবে পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, নিয়োগ এবং ব্যবহারের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে এটি শুধু স্বাস্থ্যখাতকেই শক্তিশালী করবে না; বরং বাংলাদেশের জনমিতিক লভ্যাংশ অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

মাত্র ৬ বছর আগে গোটা বিশ্ব কোভিড মহামারির মতো এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়ো বৈশ্বিক মানবিক ও জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়। কোভিড-১৯ মহামারিতে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭৭ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং ৭০ লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশও এই সংকট থেকে মুক্ত ছিল না। আমাদের হাজারো চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবক নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে রেখে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন, অনেকেই প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। জাতি তাদের অবদান কখনো ভুলবে না। কোভিড-১৯ আমাদের শিখিয়েছে যে একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার শক্তি কেবল হাসপাতালের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। এর প্রকৃত শক্তি নির্ভর করে দক্ষ মানবসম্পদ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা, কার্যকর নজরদারি, গবেষণা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার ওপর।

 

 

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবানিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু, টিকাদান কর্মসূচি, পরিবার পরিকল্পনা এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে আগে থেকেই কার্যক্রম চলমান আছে। আমাদের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স, নতুন ও পুনরুত্থিত সংক্রামক রোগ এবং ভবিষ্যৎ মহামারির ঝুঁকি সামনে রেখে আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা দরকার।

আরও পড়ুনঃ  দলীয় রাজনীতি ও সাংবাদিকতা: স্বার্থের সংঘাতে বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট

 

এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে স্বাস্থ্যখাতকে জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। এ খাতে গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বাজেট রাখা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো: স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা, চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো, জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জনবলে শক্তিশালী করা, জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য একটি জাতীয় রিজার্ভ স্বাস্থ্যকর্মী পুল গঠন করা, কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের কৌশলগত মজুদ গড়ে তোলা, রোগ নজরদারি ও জনস্বাস্থ্য তথ্যব্যবস্থাকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মানসিক সহায়তা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

 

ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যখাতে সংস্কার, জনবল বৃদ্ধি, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশ এগিয়েছে, কিন্তু আমাদের আরও অনেক দূর অগ্রসর হতে হবে। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রস্তুত, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সম্ভাবনাময়, কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে পূর্ণ সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হলে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণের বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মলিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় একটি অধিক সহনশীল, আধুনিক এবং জনগণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলা সম্ভব হবে।

#লেখক: উপপ্রধান তথ্য অফিসার, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়

পিআইডি ফিচার

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।