নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ সোমবার। সন্ধ্যা ৬:৫৪। ১ জুন, ২০২৬।

প্রধানমন্ত্রীর সিগনেচার প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সক্রিয় হতে হবে : এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক

জুন ১, ২০২৬ ৫:৩৮ 👁️ ১৬ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তাঁর সিগনেচার প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সক্রিয় হতে হবে। সরকারি প্রকল্পগুলোর তৃণমূল পর্যায়ে সুষ্ঠু বাস্তবায়ন না হওয়া সরকারের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ। তাই জনগণের কল্যাণে গৃহীত এই বিশেষ প্রকল্পগুলো যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

সোমবার (১ জুন) সোমবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর সিগনেচার প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি রাজশাহীতে বাস্তবায়নাধীন সিগনেচার প্রকল্পগুলোর স্পেশাল মনিটরিং করতে এসেছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, তরুণদের কর্মসংস্থান, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান, ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা, সমবায় পুনরুজ্জীবন, ই-কমার্স আঞ্চলিক হাব স্থাপন, উত্তরাঞ্চলে কৃষি রপ্তানি অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাত উন্নয়ন, এন্টারপ্রেনারশিপ-স্টার্টআপ প্রকল্প ও কৃষি উদ্যোক্তা প্লাটফর্মসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কর্মসূচি।

আরও পড়ুনঃ  চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রত্যয় হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের সবার অধিকারকে সমুন্নত রাখার জন্য এধরনের প্রকল্পগুলো যাতে সফলভাবে চলে সেটি মনিটর করা আমাদের জন্য খুব জরুরি। খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ভাতা প্রদান প্রসঙ্গে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের দায়িত্ব ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশনা দেন যেন কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি না হয়। বিভাগের আদিবাসীদের সামাজিক ও আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির ব্যাপারে তাগাদা দেন তিনি। এছাড়া খাল খনন কর্মসূচির যেসকল সমস্যা আছে সেগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বিষদ আলোচনার প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং হেল্থ কমপ্লেক্সগুলোর উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য এসকল প্রতিষ্ঠান খুব প্রয়োজনীয়।

আরও পড়ুনঃ  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক

ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি কেবল একটি কার্ড নয়; এর মাধ্যমে যখন একটি পরিবারকে দুই হাজার পাঁচশত টাকা দেওয়া হয়, তখন তাদের সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়ে এবং ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এটি বাজারে পণ্যের চাহিদা তৈরি করে এবং পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি সিগনেচার প্রকল্প মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের গভীর চিন্তা থেকে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

মুখ্য সমন্বয়ক তাঁর বক্তব্যে উন্নয়নের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার স্বাধীনতার মাত্র ১৪ বছরের ব্যবধান। কিন্তু মালয়েশিয়া বর্তমানে যে জায়গায় পৌঁছেছে, আমাদেরও সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। তিনি কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন যে, পিকেএসএফ বা এনজিও ব্যুরোর সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো তিনি উচ্চপর্যায়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান করবেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এবং জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

এছাড়াও আরএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুন, রাজশাহী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ রাজশাহীর সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।